
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সকল নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে আইনের বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পরিচালিত হচ্ছে খুলনা মহানগরের প্রাণকেন্দ্রের একটা ক্লিনিক।
সরে জমিন ঘুরে জানা গেছে খুলনার ১০৬ সৈয়দ আলী হোসেন সড়ক (হাফিজ নগর) সোনাডাঙ্গায় গড়ে উঠেছে নুরজাহান ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার । একজন নাম সর্বস্ব নার্স সানজিদা খাতুন, ক্লিনিকৃত রোগীর দেখাশোনা করছে। কোন ডাক্তার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন ডাক্তার এক সপ্তর পুজোর ছুটিতে বাইরে আছে। ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সুমন হালদার কে ক্লিনিকে পাওয়া না গেলেও মুঠোফোনে আলাপে তিনি বলেন আমি কাগজপত্র করতে দিয়েছি ।
বুলু ভাইয়ের কাছে। যা খুব দ্রুত পেয়ে যাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিভিল সার্জন , অথবা বিভাগীয় পরিচালক অথবা সংশ্লিষ্ট অফিসের কোন কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছন কিনা অথবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ক্লিনিক পরিচালনার জন্য কোন অনুমোদন দিয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন , আমি অনলাইনে নিবন্ধন করেছি এবং কার্যক্রম পরিচালনা করছি আমি যার মাধ্যমে কাগজ করতে দিয়েছি তিনি আমাকে চালাতে বলেছেন । খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে ১ মাসে ২০ জনকে সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়েছে। বর্তমানে ২ জন রোগী ভর্তি রয়েছে । এমন প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য সেবার দায়িত্ব নিলে এবং কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব কে নিবে এমন প্রশ্ন জনমনে । ক্লিনিক এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারটির সার্বিক চিত্র নিয়ে খুলনা জেলা স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ মুজিবুর রহমানের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন । ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্সের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান ডিজি হেলথ বরাবর অনলাইন যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে , আমাদের কাছেঐ প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন এর জন্য ডিজি হেলথ থেকে মেসেজ আসে। তারপর আমরা প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপারে জানতে পারি এবং পরিদর্শনপূর্বক লাইসেন্সের জন্য সুপারিশ করি। ডিজি হেলথ থেকে লাইসেন্স পেলে তারপর প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।এই প্রতিষ্ঠানটির কোন অনুমোদন নাই। প্রতিষ্ঠানটি যাতে অনুমোদন ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
















