অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

র‌্যাব-৪ এর অভিযানে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান(৩৫) দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার।

 

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়ায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)’কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকালে তার হেফাজত থেকে ০১টি সুইচ গিয়ার চাকু, ০১টি চাইনিস কুড়াল, ০১ নুন চাকু, ০১টি ইলেকট্রিক শকগান এবং ০১টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।

৩। এজাহারের বিবরণী এবং র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার সূত্রে জানা যায়, অত্র মামলার জনৈক ভুক্তোভোগী ঢাকার উত্তরায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরী করত। গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে ভুক্তভোগী অফিসের কাজে মোটরসাইকেল যোগে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকা পরির্দশন করতে আসে। পরিদর্শন শেষে ভুক্তভোগী জামগড়া সিটি ব্যাংক এটিএম বুথের সামনে অবস্থান কালে মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)সহ তার সহযোগীরা মিলে কৌশলে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে জামগড়া কামরুলের মোড়ে নিয়ে গিয়ে একটি ফাকা জায়গায় আটক করে রাখে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করলে, ভিকটিম তার স্ত্রীকে ফোন করে টাকা পাঠাতে বলে। তখন ভিকটিমের স্ত্রী বিকাশের মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা পাঠায়। পরবর্তীতে মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)সহ তার সহযোগীরা মিলে ভিকটিমকে মারপিট করে আরো টাকা দাবী করে না পেয়ে তার কাছে থাকা ডেবিট কার্ড এবং নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ স্মার্টফোন নিয়ে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল হতে চলে যায়।

৪। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে আশুলিয়া থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই র‌্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান সনাক্ত করে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)’কে গ্রেফতার করে।

৫। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

আপডেট : ০৯:৫১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

র‌্যাব-৪ এর অভিযানে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান(৩৫) দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার।

 

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়ায় অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)’কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকালে তার হেফাজত থেকে ০১টি সুইচ গিয়ার চাকু, ০১টি চাইনিস কুড়াল, ০১ নুন চাকু, ০১টি ইলেকট্রিক শকগান এবং ০১টি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।

৩। এজাহারের বিবরণী এবং র‌্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার সূত্রে জানা যায়, অত্র মামলার জনৈক ভুক্তোভোগী ঢাকার উত্তরায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরী করত। গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে ভুক্তভোগী অফিসের কাজে মোটরসাইকেল যোগে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকা পরির্দশন করতে আসে। পরিদর্শন শেষে ভুক্তভোগী জামগড়া সিটি ব্যাংক এটিএম বুথের সামনে অবস্থান কালে মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)সহ তার সহযোগীরা মিলে কৌশলে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে জামগড়া কামরুলের মোড়ে নিয়ে গিয়ে একটি ফাকা জায়গায় আটক করে রাখে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করলে, ভিকটিম তার স্ত্রীকে ফোন করে টাকা পাঠাতে বলে। তখন ভিকটিমের স্ত্রী বিকাশের মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা পাঠায়। পরবর্তীতে মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)সহ তার সহযোগীরা মিলে ভিকটিমকে মারপিট করে আরো টাকা দাবী করে না পেয়ে তার কাছে থাকা ডেবিট কার্ড এবং নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ স্মার্টফোন নিয়ে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল হতে চলে যায়।

৪। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে আশুলিয়া থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই র‌্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান সনাক্ত করে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজিরচট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ ওয়াসিম খান (৩৫)’কে গ্রেফতার করে।

৫। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।