
জরায়ু মুখ ক্যান্সার সচেতনতা মাস–২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাইনি ও অবস বিভাগ ও গাইনি অনকোলজি ইউনিটের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারী) সকাল ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি বের হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারী মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ জরায়ু মুখ ক্যান্সার।তবে সময়মতো এইচপিভি টিকা গ্রহণ করলে এ ক্যান্সার সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব।টিকাদানের পাশাপাশি নিয়মিত স্ক্রিনিং ও সময়মতো চিকিৎসার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও(ডব্লিউএইচও) বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে।
র্যালি ও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ওজিএসবি’র প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডা. ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ও গাইনি বিভাগের প্রধান, মেম্বার সেক্রেটারি, জিএসবি প্রফেসর ডা.মুসাররাত সুলতানা, অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা, গাইনি অনকোলজি ইউনিটের প্রধান প্রফেসর ডা. এস এম সাহিদা, ঢামেক উপপরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলমসহ গাইনি বিভাগের অন্যান্য চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা।
বক্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০৩০ সালের মধ্যে জরায়ু মুখ ক্যান্সার নির্মূলে ৯০ শতাংশ টিকাদান, ৭০ শতাংশ স্ক্রিনিং এবং ৯০ শতাংশ আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা-পরবর্তী জীবনের গল্প তুলে ধরার মাধ্যমেও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উপ-পরিচালক ডা.মো: আশরাফুল আলম হাসপাতাল ভিত্তিক কার্যক্রমের পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ডা. মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, ঢাকা মেডিকেলে জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় আধুনিক সব ধরনের সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা.রিফাত আরা অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ডা.আশফী লায়লা ইলোরা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সরকারি অধ্যাপক ও গাইনি অনকোলজি ইউনিটের সদস্য ডা.মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।











