গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ এলাকায সহকর্মীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সহকর্মীর মৃত্যু

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার দয়াগঞ্জ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে মোবাইলে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আব্দুল মান্নান (২৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু।

রবিবার (০৭ জুন) বেলা বারোটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সোয়া তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত মান্নানে বোন চায়না আক্তার জানান, আমার ভাই পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক নির্বাচ শ্রমিক বেলা বারোটার দিকে দয়াগঞ্জ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে সহকর্মীরা রাজন, দেলু ও মহসিন তিনজনসহ বসে মোবাইলে লুডু খেলার সময় মোবাইল নেওয়া কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজন তার রানে ঢুকিয়ে দেয়। পরে আমরা খবর পেয়ে আমার ভাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়। তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামে বাড়ি বরগুনা সদর জেলার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। বর্তমানে গেন্ডারিয়ায় নামাপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন, নিহত এক মেয়ের জনক ছিলেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ(পরিদর্শক)মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে ।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

গেন্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ এলাকায সহকর্মীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সহকর্মীর মৃত্যু

আপডেট : ১১:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার দয়াগঞ্জ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে মোবাইলে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আব্দুল মান্নান (২৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু।

রবিবার (০৭ জুন) বেলা বারোটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সোয়া তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত মান্নানে বোন চায়না আক্তার জানান, আমার ভাই পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক নির্বাচ শ্রমিক বেলা বারোটার দিকে দয়াগঞ্জ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে সহকর্মীরা রাজন, দেলু ও মহসিন তিনজনসহ বসে মোবাইলে লুডু খেলার সময় মোবাইল নেওয়া কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাজন তার রানে ঢুকিয়ে দেয়। পরে আমরা খবর পেয়ে আমার ভাইকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়। তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামে বাড়ি বরগুনা সদর জেলার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। বর্তমানে গেন্ডারিয়ায় নামাপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন, নিহত এক মেয়ের জনক ছিলেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ(পরিদর্শক)মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে ।