প্রাইভেটকারের দুই মরদেহের শনাক্ত করলেন তাদের পরিবার

  • রিপোর্টার
  • আপডেট : ০৯:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩১৯ পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ- রাজধানীর মৌচাকের ডা.সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পার্কিংয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার হওয়া দুই মরদেহে পরিচয় মিলেছে।নিহতরা হলেন, মোঃ জাকির হোসেন(২৮) ও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান(৪৪)।

 

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ আওলাদ হোসেন জানান, আমরা খবরপেয়ে সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রমনা থানাধীন ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেজমেন্ট-২ একটি প্রাইভেটকারে ভিতর থেকে ২জনের মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক ভাবে মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি, মৃত ব্যক্তির ভিসেরা ও ডিএনএ সংস্করণ সহ মৃত্যুর সঠিক কারন নির্ণয় পূর্বক আলামত এর জন্য ময়না তদন্ত করা প্রয়োজন। তবুও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

 

নিহত জাকিরের বাবা আবু তাহের জানান, আমার ছেলে গাড়ি চালক ছিল, শনিবার ( ১০ আগস্ট) সকালের দিকে আদম ব্যবসায়ীরা মিজান ও আমার ছেলে জাকির কে নিয়ে ঢাকা একটি হাসপাতালে রোগী দেখার কথা বলে তাদেরকে নিয়ে আসে। রোগী দেখে আমার ছেলেকে পল্টনের ওই ট্রাভেলসে পৌঁছিয়ে দিবে বলেন আদম কারবারিরা। পল্টনের একটি ট্রাভেলসের এজেন্সিতে আমেরিকা যাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা দেন আমার ছেলে। আমার ছেলে কে শ্রীলংকা থেকে প্রায় ছয় মাস ঘুরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকেই ওই ট্রাভেলসে বিদেশে যাওয়ার কথা বললে বিভিন্ন সময় হুমকিও দিতেন মিরাজ, বজলু, ইমন, রাশেদ ও ফরহাদ, আমার ছেলেকে মারধর করেছে তারা তাই আমার বিশ্বাস আমার ছেলেকে হত্যা করে ওই গাড়ির মধ্যে রেখেছে ওরা। সরকারের কাছে আমাদের দাবি আমার ছেলেসহ দুজনের সুষ্ঠু বিচার করে আইনের আওতায় এনে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি। আমাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার (লট পটিয়া খামার বাড়ি) আমার তিন ছেলে এক মেয়ে জাকির ছিল মেজ।

 

অপরদিকে, মিজানুরের মামা মোঃ জাহেদ আহমেদ জানান, আমার ভাগিনা কৃষি কাজ সহ গ্রামের অন্যান্য কাজ করতো ও ড্রাইভিং শিখার জন্য জাকিরের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয় গুলো জানান তিনি।

 

তিনি আরো জানান, আমার ভাগিনার গ্রামে বাড়ি, নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার দক্ষিণ বোমাতলী গ্রামে মৃত আব্দুল হাকিম এর সন্তান। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে মরদেহ দুইটি গ্রামের বাড়ি নিয়ে জানাজা শেষে কবরস্থানে দাফন করা হবে বলেও জানান তারা।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

প্রাইভেটকারের দুই মরদেহের শনাক্ত করলেন তাদের পরিবার

আপডেট : ০৯:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার ঃ- রাজধানীর মৌচাকের ডা.সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পার্কিংয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকার থেকে উদ্ধার হওয়া দুই মরদেহে পরিচয় মিলেছে।নিহতরা হলেন, মোঃ জাকির হোসেন(২৮) ও মোঃ মিজানুর রহমান মিজান(৪৪)।

 

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ আওলাদ হোসেন জানান, আমরা খবরপেয়ে সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রমনা থানাধীন ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেজমেন্ট-২ একটি প্রাইভেটকারে ভিতর থেকে ২জনের মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরো জানান, প্রাথমিক ভাবে মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি, মৃত ব্যক্তির ভিসেরা ও ডিএনএ সংস্করণ সহ মৃত্যুর সঠিক কারন নির্ণয় পূর্বক আলামত এর জন্য ময়না তদন্ত করা প্রয়োজন। তবুও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদন রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

 

নিহত জাকিরের বাবা আবু তাহের জানান, আমার ছেলে গাড়ি চালক ছিল, শনিবার ( ১০ আগস্ট) সকালের দিকে আদম ব্যবসায়ীরা মিজান ও আমার ছেলে জাকির কে নিয়ে ঢাকা একটি হাসপাতালে রোগী দেখার কথা বলে তাদেরকে নিয়ে আসে। রোগী দেখে আমার ছেলেকে পল্টনের ওই ট্রাভেলসে পৌঁছিয়ে দিবে বলেন আদম কারবারিরা। পল্টনের একটি ট্রাভেলসের এজেন্সিতে আমেরিকা যাওয়ার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা দেন আমার ছেলে। আমার ছেলে কে শ্রীলংকা থেকে প্রায় ছয় মাস ঘুরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকেই ওই ট্রাভেলসে বিদেশে যাওয়ার কথা বললে বিভিন্ন সময় হুমকিও দিতেন মিরাজ, বজলু, ইমন, রাশেদ ও ফরহাদ, আমার ছেলেকে মারধর করেছে তারা তাই আমার বিশ্বাস আমার ছেলেকে হত্যা করে ওই গাড়ির মধ্যে রেখেছে ওরা। সরকারের কাছে আমাদের দাবি আমার ছেলেসহ দুজনের সুষ্ঠু বিচার করে আইনের আওতায় এনে দোষীদের শাস্তি দাবি করছি। আমাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার (লট পটিয়া খামার বাড়ি) আমার তিন ছেলে এক মেয়ে জাকির ছিল মেজ।

 

অপরদিকে, মিজানুরের মামা মোঃ জাহেদ আহমেদ জানান, আমার ভাগিনা কৃষি কাজ সহ গ্রামের অন্যান্য কাজ করতো ও ড্রাইভিং শিখার জন্য জাকিরের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয় গুলো জানান তিনি।

 

তিনি আরো জানান, আমার ভাগিনার গ্রামে বাড়ি, নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার দক্ষিণ বোমাতলী গ্রামে মৃত আব্দুল হাকিম এর সন্তান। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে মরদেহ দুইটি গ্রামের বাড়ি নিয়ে জানাজা শেষে কবরস্থানে দাফন করা হবে বলেও জানান তারা।