পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পারিবারিক কলহের জেরে তানহা (২৭) নামের এক গৃহবধূ সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (০৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পারে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত দুইটার দিকে মৃত ঘোষণা করে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মোস্তফা জানান, রাত সাড়ে বারোটার দিকে স্বামী ইয়াসিন ফরাজীর সাথে তানহার কথা কাটাকাটির, এক পর্যায়ে স্বামী রুম থেকে বের হয়ে গেলে তানহা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। এর কিছুক্ষণ পরে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বামীর মনে সন্দেহ হলে। পরে তিনি প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তানহাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখতে পান। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, নিহত তানহার গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার চর ফ্যাশন থানার চরনাজিমুদ্দিন গ্রামে সালাউদ্দিনের মেয়ে। বর্তমানে উত্তর বাড্ডায় একটি ভাড়া বাসায় স্বামী ইয়াসিন ফরাজীর সাথে থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের
ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আপডেট : ১০:৪৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পারিবারিক কলহের জেরে তানহা (২৭) নামের এক গৃহবধূ সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (০৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পারে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত দুইটার দিকে মৃত ঘোষণা করে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মোস্তফা জানান, রাত সাড়ে বারোটার দিকে স্বামী ইয়াসিন ফরাজীর সাথে তানহার কথা কাটাকাটির, এক পর্যায়ে স্বামী রুম থেকে বের হয়ে গেলে তানহা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। এর কিছুক্ষণ পরে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বামীর মনে সন্দেহ হলে। পরে তিনি প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তানহাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখতে পান। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, নিহত তানহার গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার চর ফ্যাশন থানার চরনাজিমুদ্দিন গ্রামে সালাউদ্দিনের মেয়ে। বর্তমানে উত্তর বাড্ডায় একটি ভাড়া বাসায় স্বামী ইয়াসিন ফরাজীর সাথে থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের
ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।