টিপু ও কবির হত্যাকান্ডে সাবেক এমপি হাসানাত সহ ৪জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন- আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিষয়ে শুনানি করা হয়। এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন শহিদুল ইসলাম। শুনানিতে তিনি বলেন, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মামলার ভিকটিম টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা। রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদেরকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা ও গ্রহণ করেন। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি বরিশাল জেলার তৎকালীন পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহকে নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর একটি মিথ্যা মামলায় দুই ভিক্টিমকে আসামি করা হয়। পরে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এএসআই মাহবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিনকে দিয়ে আগৈলঝাড়া থানার গৌরনদী-গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বে বুধার নামক স্থানে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

শুনানিতে তিনি আরো বলেন, আসামি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও ডিআইডি এহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন অবস্থানে থেকে নির্দেশনার মাধ্যমে জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ ও সুপিরিওয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির অপরাধ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এরপর তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন জানান। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে সময়ের আরজি জানান। আদালত তাদের আবেদন মঞ্জুর করে, এইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৪ মে দিন ধার্য করে।

এ মামলার এএসআই মাহবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আজ তাদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

টিপু ও কবির হত্যাকান্ডে সাবেক এমপি হাসানাত সহ ৪জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আপডেট : ০৭:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন- আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিষয়ে শুনানি করা হয়। এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন শহিদুল ইসলাম। শুনানিতে তিনি বলেন, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মামলার ভিকটিম টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা। রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদেরকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা ও গ্রহণ করেন। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি বরিশাল জেলার তৎকালীন পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহকে নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর একটি মিথ্যা মামলায় দুই ভিক্টিমকে আসামি করা হয়। পরে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এএসআই মাহবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিনকে দিয়ে আগৈলঝাড়া থানার গৌরনদী-গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বে বুধার নামক স্থানে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

শুনানিতে তিনি আরো বলেন, আসামি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও ডিআইডি এহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন অবস্থানে থেকে নির্দেশনার মাধ্যমে জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ ও সুপিরিওয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির অপরাধ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এরপর তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন জানান। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে সময়ের আরজি জানান। আদালত তাদের আবেদন মঞ্জুর করে, এইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৪ মে দিন ধার্য করে।

এ মামলার এএসআই মাহবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আজ তাদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।