চট্টগ্রাম-১১ আসনে শফিউল আলমের গণসংযোগে:দুর্নীতি -দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইপিজেড থানা অধীন ৩৯ নং দক্ষিণ প্রশাসনিক এমারত ওয়ার্ড এবং সাংগঠনিক দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে চট্টগ্রাম-১১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী শফিউল আলমের নেতৃত্বে ব্যাপক গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। গণসংযোগ শেষে আলিশাহ নগর বন্দরটিলা কাঁচা বাজারের পিছনে উন্নয়ন কমিটির নিজস্ব ভবনে মহল্লা কমিটির সাথে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি পদে জামায়াত প্রার্থী জনাব শফিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩৯ নং দক্ষিণ প্রশাসনিক এমারত ওয়ার্ডের আমীর ওসমান গনি এবং ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহেদ আলী।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দারুস সালাম ওয়ার্ড সভাপতি মিজান খান, বন্দরটিলা পূর্ব ওয়ার্ড সেক্রেটারি আবু কালাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইপিজেড থানা সেক্রেটারি আব্দুস সবুর আশিকী, বন্দরটিলা পূর্ব ওয়ার্ড সভাপতি মাস্টার শাহিন, সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান, আলিশাহ নগর আবাসিক এলাকা সার্বিক উন্নয়ন কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিনসহ স্থানীয় বাড়ির মালিক ও জনগণ।

সভায় বক্তারা দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি এবং জনজীবনের চরম দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন—“জনগণ আজ মহাসংকটে। লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, বেকারত্ব, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে মানুষ দিশেহারা। এই অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।”

প্রধান অতিথি শফিউল আলম বলেন—“স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীর পরও সাধারণ মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত। জনগণের আস্থা ও দোয়া নিয়ে আমরা দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে ন্যায় ও ন্যায়বিচারের সমাজ গড়ব।”

বিশেষ অতিথি ওসমান গনি অভিযোগ করেন—“আইন-শৃঙ্খলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, অথচ দুর্নীতিবাজ ও মাদক সিন্ডিকেটরা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। এটি আর সহ্য করা হবে না।”

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহেদ আলী বলেন—“জনগণের ভোটে সুযোগ পেলে আমি সেবামূলক রাজনীতি ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করব।”সভায় বক্তারা একযোগে দাবি জানান— আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অবিলম্বে জনবান্ধব পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দমননীতি, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় জনতার ক্ষোভ, আশঙ্কা এবং পরিবর্তনের অদম্য আকাঙ্ক্ষা। স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে সভাস্থল জনতার মিলনমেলায় পরিণত হয়।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

চট্টগ্রাম-১১ আসনে শফিউল আলমের গণসংযোগে:দুর্নীতি -দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ

আপডেট : ০৪:৪৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইপিজেড থানা অধীন ৩৯ নং দক্ষিণ প্রশাসনিক এমারত ওয়ার্ড এবং সাংগঠনিক দারুস সালাম ওয়ার্ডের উদ্যোগে চট্টগ্রাম-১১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী শফিউল আলমের নেতৃত্বে ব্যাপক গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়। গণসংযোগ শেষে আলিশাহ নগর বন্দরটিলা কাঁচা বাজারের পিছনে উন্নয়ন কমিটির নিজস্ব ভবনে মহল্লা কমিটির সাথে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি পদে জামায়াত প্রার্থী জনাব শফিউল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩৯ নং দক্ষিণ প্রশাসনিক এমারত ওয়ার্ডের আমীর ওসমান গনি এবং ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহেদ আলী।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দারুস সালাম ওয়ার্ড সভাপতি মিজান খান, বন্দরটিলা পূর্ব ওয়ার্ড সেক্রেটারি আবু কালাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইপিজেড থানা সেক্রেটারি আব্দুস সবুর আশিকী, বন্দরটিলা পূর্ব ওয়ার্ড সভাপতি মাস্টার শাহিন, সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান, আলিশাহ নগর আবাসিক এলাকা সার্বিক উন্নয়ন কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিনসহ স্থানীয় বাড়ির মালিক ও জনগণ।

সভায় বক্তারা দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি এবং জনজীবনের চরম দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে বলেন—“জনগণ আজ মহাসংকটে। লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, বেকারত্ব, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে মানুষ দিশেহারা। এই অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।”

প্রধান অতিথি শফিউল আলম বলেন—“স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীর পরও সাধারণ মানুষ অধিকার থেকে বঞ্চিত। জনগণের আস্থা ও দোয়া নিয়ে আমরা দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে ন্যায় ও ন্যায়বিচারের সমাজ গড়ব।”

বিশেষ অতিথি ওসমান গনি অভিযোগ করেন—“আইন-শৃঙ্খলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, অথচ দুর্নীতিবাজ ও মাদক সিন্ডিকেটরা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। এটি আর সহ্য করা হবে না।”

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহেদ আলী বলেন—“জনগণের ভোটে সুযোগ পেলে আমি সেবামূলক রাজনীতি ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করব।”সভায় বক্তারা একযোগে দাবি জানান— আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অবিলম্বে জনবান্ধব পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দমননীতি, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বক্তব্যে প্রতিফলিত হয় জনতার ক্ষোভ, আশঙ্কা এবং পরিবর্তনের অদম্য আকাঙ্ক্ষা। স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে সভাস্থল জনতার মিলনমেলায় পরিণত হয়।