সাহসী ছাত্রনেতা মুসলেহ উদ্দিন: দুঃসময়ের ত্যাগ, সুঃসময়ের নেতৃত্বের দাবিদার

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয় ও আতঙ্কের অধ্যায়। বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফ আসনে ছিল ভীতি, দমন-পীড়ন আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কঠিন ছাপ। বিএনপির প্রার্থী জননেতা আলহাজ্ব শাহ জাহান চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণায় তখন ভয় পেয়ে অনেকে মাঠে নামেননি। নির্বাচনী মাইক হাতে তোলাও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, এমনকি ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট হওয়ার সাহসও দেখাতে পারেননি অনেকেই।

 

কিন্তু সে দুঃসময়ে সাহসিকতার প্রমাণ দেন ছাত্রনেতা মুসলেহ উদ্দিন। তিনি মৃত্যুকে উপেক্ষা করে টেকনাফ পৌরসভায় ধানের শীষের নির্বাচনী মাইকিং করেন এবং পুরান পল্লান পাড়া এজহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এজেন্ট হিসেবে বসার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

তার সাহসিকতার সাক্ষী কারা ছিলেন, সেই নামগুলোও তিনি নিজেই প্রকাশ করেছেন। তারা হলেন—

• আব্দুর রাজ্জাক মেম্বার, সভাপতি, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• আক্তার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• রহমত উল্লাহ, সদস্য সচিব, টেকনাফ পৌর সেচ্ছাসেবকদল
• জনাব হাসান ড্রাইভার, বিএনপি, টেকনাফ পৌরসভা
• তৌহিদ আরমানী, সদস্য সচিব, আরাফাত রহমান ক্রীড়া সংসদ
• আব্দুল্লাহ আল নোমান, আহ্বায়ক, টেকনাফ পৌর ছাত্রদল

ইতিহাস সাক্ষী থাকবে—যখন অনেকে ভয়ে পিছু হটেছিলেন, তখন মুসলেহ উদ্দিন মাইক হাতে নিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আজ সেই সাহসী ছাত্রনেতা দলের দুঃসময়ের ত্যাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, দলের সুঃসময়ে নেতৃত্বের দাবিদার হয়ে উঠেছেন। টেকনাফের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে আদর্শিক দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

সাহসী ছাত্রনেতা মুসলেহ উদ্দিন: দুঃসময়ের ত্যাগ, সুঃসময়ের নেতৃত্বের দাবিদার

আপডেট : ০৫:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয় ও আতঙ্কের অধ্যায়। বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফ আসনে ছিল ভীতি, দমন-পীড়ন আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কঠিন ছাপ। বিএনপির প্রার্থী জননেতা আলহাজ্ব শাহ জাহান চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণায় তখন ভয় পেয়ে অনেকে মাঠে নামেননি। নির্বাচনী মাইক হাতে তোলাও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, এমনকি ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট হওয়ার সাহসও দেখাতে পারেননি অনেকেই।

 

কিন্তু সে দুঃসময়ে সাহসিকতার প্রমাণ দেন ছাত্রনেতা মুসলেহ উদ্দিন। তিনি মৃত্যুকে উপেক্ষা করে টেকনাফ পৌরসভায় ধানের শীষের নির্বাচনী মাইকিং করেন এবং পুরান পল্লান পাড়া এজহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এজেন্ট হিসেবে বসার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

তার সাহসিকতার সাক্ষী কারা ছিলেন, সেই নামগুলোও তিনি নিজেই প্রকাশ করেছেন। তারা হলেন—

• আব্দুর রাজ্জাক মেম্বার, সভাপতি, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• আক্তার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, টেকনাফ পৌর বিএনপি
• রহমত উল্লাহ, সদস্য সচিব, টেকনাফ পৌর সেচ্ছাসেবকদল
• জনাব হাসান ড্রাইভার, বিএনপি, টেকনাফ পৌরসভা
• তৌহিদ আরমানী, সদস্য সচিব, আরাফাত রহমান ক্রীড়া সংসদ
• আব্দুল্লাহ আল নোমান, আহ্বায়ক, টেকনাফ পৌর ছাত্রদল

ইতিহাস সাক্ষী থাকবে—যখন অনেকে ভয়ে পিছু হটেছিলেন, তখন মুসলেহ উদ্দিন মাইক হাতে নিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আজ সেই সাহসী ছাত্রনেতা দলের দুঃসময়ের ত্যাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, দলের সুঃসময়ে নেতৃত্বের দাবিদার হয়ে উঠেছেন। টেকনাফের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে আদর্শিক দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।