হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মুন্না ওরফে মামুন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

শাহআলী থানাধীন কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

 

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এবং র‌্যাব-৭ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ২২ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দঁগাও থানাধীন বলিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহআলী থানাধীন মাজার এর নিকটস্থ কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করে।

৩। মামলার এজাহার ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ০৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখ শাহআলী থানাধীন মাজার এর নিকটস্থ কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে ভোর অনুমানিক ০৫.০০ ঘটিকায় আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন ০২ জন সঙ্গীসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে। তারা হোটেল ম্যানেজার এবং নিরাপত্তা প্রহরীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হত্যার হুমকি দেখিয়ে ক্যাশ কাউন্টার এবং হোটেলে অবস্থানরত গেস্ট এর নিকট হতে নগদ অর্থসহ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও ক্রেডিট কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে ডিএমপি, ঢাকার শাহআলী থানায় একটি দস্যুতার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই র‌্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চাঞ্চল্যকর দস্যুতার ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৪ এবং র‌্যাব-৭ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান সনাক্ত করে ২২ আগস্ট ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দঁগাও থানাধীন বলিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করে।

 

৪। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মুন্না ওরফে মামুন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

আপডেট : ০৭:১৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

শাহআলী থানাধীন কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

 

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এবং র‌্যাব-৭ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ২২ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দঁগাও থানাধীন বলিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহআলী থানাধীন মাজার এর নিকটস্থ কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে দস্যুতার ঘটনায় মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করে।

৩। মামলার এজাহার ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ০৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখ শাহআলী থানাধীন মাজার এর নিকটস্থ কর্ণফুলী আবাসিক হোটেলে ভোর অনুমানিক ০৫.০০ ঘটিকায় আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন ০২ জন সঙ্গীসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে। তারা হোটেল ম্যানেজার এবং নিরাপত্তা প্রহরীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হত্যার হুমকি দেখিয়ে ক্যাশ কাউন্টার এবং হোটেলে অবস্থানরত গেস্ট এর নিকট হতে নগদ অর্থসহ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও ক্রেডিট কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয় এবং এ সংক্রান্তে ডিএমপি, ঢাকার শাহআলী থানায় একটি দস্যুতার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই র‌্যাব-৪ এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চাঞ্চল্যকর দস্যুতার ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‌্যাব-৪ এবং র‌্যাব-৭ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান সনাক্ত করে ২২ আগস্ট ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দঁগাও থানাধীন বলিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামি মোঃ মুন্না ওরফে মামুন (৩৬)’কে গ্রেফতার করে।

 

৪। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।