
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর নয়ানগর এলাকায় ও বাড্ডার আফতাবনগর এলাকায় পৃথক ঘটনা দুইযুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন, মোহাম্মদ শাফায়েত হোসেন (১৬) ও মোহাম্মদ আরিফ (২৬)।
মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ জসিম উদ্দিন জানান, আমরা খবর পেয়ে সকাল ৯ টার দিকে যাত্রাবাড়ীর ভাঙ্গা প্রেস মায়া নগর এলাকার একটি টিনশেড বাসা থেকে শাফায়েত নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান,আমরা জানতে পেরেছি টিনসেট বাসা জানালার গ্রিলের সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁসি আত্মহত্যা করেছে।তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহত সাফায়েতের মামা মোঃ মিলন জানান, আমার ভাগিনা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের সহকারী হিসাবে কাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে টিকটকের এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে যায়,গতরাতে ওই মেয়ে ফোনে তাকে বলে তোমার সঙ্গে আমার সম্পর্ক শেষ। এই কারণে হতাশাগ্রস্ত হয়ে সে বাসায় গলায় ফাঁস দিয়েছে । সাফায়েতের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বড় চাঁদপুর গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ছেলে। বর্তমানে যাত্রাবাড়ীর ভাঙ্গা প্রেস নয়নগর এলাকার সাখাওয়াতের টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন, নিহত দুই বোন দুই ভাই।
অপরদিকে,বাড্ডা আফতাবনগর এলাকার একটি বাসা থেকে আরিফ (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক(এস আই) মোঃ ইব্রাহিম খলিল জানান, আমরা খবর পেয়ে বাড্ডার আফতাবনগর ১নং রোড ব্লক -জি ১৮ নং একটি নির্মাণাধীন ভবনে কলামের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ভোর ছয়টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করি।পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান,আমরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি আরিফ পেশায় একজন শ্রমিকের কাজ করতেন নেশাগ্রস্ত ও জুয়ারি ছিল জুয়ার টাকার জন্য বিভিন্ন সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানতে পারি। তবুও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদনে রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতের আত্মীয় শম্পা জানান, আরিফের সঙ্গে তন্বীর নামের এক মেয়ের এক বছরের উপরে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে নেশার টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে টাকা দেওয়া হয়।কিছুদিন পূর্বে মোবাইল কিনার জন্য শ্বশুরবাড়ি থেকে বারো এক নম্বর রোড ব্লক গি ১৮ নম্বর বাসায়হাজার টাকা নেয়, জুয়া খেলে সেটাও খোয়া যায়, পরে আবার মোবাইল কিনার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ প্রয়োগ করলে স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফ গ্রামের বাড়িতে চলে যায়, তার কিছুদিন পরে এসে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় কাজের জন্য চেষ্টা করলে চাকরি না পেয়ে রাতে ওই নির্মাণাধীন ভবনে এসে কলামে সঙ্গে গলায় রশি দিয়া ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আরিফের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর জেলার ইলিশা ভাইতির খাল এলাকার ভুট্টো মাঝির ছেলে। বর্তমান বাড্ডা আফতাব নগর এক নম্বর রোড ব্লক জি ১৮ নম্বর নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন তিনি। নিহত দুই ভাই,












