ঢামেকে চোর চক্রের আটক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগ থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংকসহ আব্দুল কুদ্দুস (৩৮) নামে এক চোরকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ) রাত ৮টার দিকে তাকে আনসার সদস্যেরা তার কাছেে থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো.শাহাদাত হোসেন জানান, ঢামেকের আনসারের (এপিসি) তালাশ মিয়া ও আনসার সদস্য মতাব্বির, আনসার সদস্য হুমায়ুন কবির একটি টিম টহল টিম ঢামেকে নতুন ভবনে পাঁচ তলায় ডিউটি অবস্থায় একজনকে সন্দেহ হলে, তাকে চ্যালেঞ্জ করে পরে তার কাছে থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢামেকে পুলিশ ক্যাম্পের সোপর্দ করা হয়।

ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ(পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নতুন ভবনের পাঁচ তলা থেকে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে আমরা তকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করি।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

ঢামেকে চোর চক্রের আটক

আপডেট : ০৪:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগ থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংকসহ আব্দুল কুদ্দুস (৩৮) নামে এক চোরকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ) রাত ৮টার দিকে তাকে আনসার সদস্যেরা তার কাছেে থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো.শাহাদাত হোসেন জানান, ঢামেকের আনসারের (এপিসি) তালাশ মিয়া ও আনসার সদস্য মতাব্বির, আনসার সদস্য হুমায়ুন কবির একটি টিম টহল টিম ঢামেকে নতুন ভবনে পাঁচ তলায় ডিউটি অবস্থায় একজনকে সন্দেহ হলে, তাকে চ্যালেঞ্জ করে পরে তার কাছে থেকে একটি মোবাইল ও একটি পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢামেকে পুলিশ ক্যাম্পের সোপর্দ করা হয়।

ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ(পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, নতুন ভবনের পাঁচ তলা থেকে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আনসার সদস্যরা। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে আমরা তকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করি।