হাজারীবাগ ঝুলন্ত অবস্থায় এক কিশোরী মরদহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগ থানা মিতালী রোড এলাকা একটি বাসা থেকে মোছাঃ জাকিয়া আক্তার(১৪) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত একটি লেদার কারখানার শ্রমিক ছিল।

 

সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাজারীবাগ থানা উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোহাম্মদ আব্দুল হাই জানান, আমরা খবর পেয়ে সকালের দিকে মিতালী রোড ৫/এ একটি বাসার নিচতলা রুমের দরজা ভেঙ্গে ফ্যানেরসঙ্গে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় এক কিশোরীর মরদহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পারি ওই কিশোরী একটি লেদার কারখানা শ্রমিক দিবাগত রাত দশটা থেকে বারোটার মধ্যে রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয় পরে ওরানা দিয়ে সিলিংফ্যানের সঙ্গে গলায় পেচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে নিয়ে আসি।

তিনি জানান, আমরা পরিবারের মুখে জানতে পারি নিহত জাকিয়ার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ওই দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে থাকে ও তার মা ফরিদা বেগমকে নিয়ে হাজারীবাগের ৫/এ নম্বর বাসার নিচ তলায় থাকতো। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

হাজারীবাগ ঝুলন্ত অবস্থায় এক কিশোরী মরদহ উদ্ধার

আপডেট : ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর হাজারীবাগ থানা মিতালী রোড এলাকা একটি বাসা থেকে মোছাঃ জাকিয়া আক্তার(১৪) নামের এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত একটি লেদার কারখানার শ্রমিক ছিল।

 

সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাজারীবাগ থানা উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোহাম্মদ আব্দুল হাই জানান, আমরা খবর পেয়ে সকালের দিকে মিতালী রোড ৫/এ একটি বাসার নিচতলা রুমের দরজা ভেঙ্গে ফ্যানেরসঙ্গে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় এক কিশোরীর মরদহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পারি ওই কিশোরী একটি লেদার কারখানা শ্রমিক দিবাগত রাত দশটা থেকে বারোটার মধ্যে রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয় পরে ওরানা দিয়ে সিলিংফ্যানের সঙ্গে গলায় পেচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে নিয়ে আসি।

তিনি জানান, আমরা পরিবারের মুখে জানতে পারি নিহত জাকিয়ার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ওই দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে থাকে ও তার মা ফরিদা বেগমকে নিয়ে হাজারীবাগের ৫/এ নম্বর বাসার নিচ তলায় থাকতো। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।