স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ায় অভিমানে স্বামীর আত্মহত্যা

রাজধানীর শাজাহানপুর থানাধীন উত্তর শাজাহানপুরের একটি বাসা থেকে মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন(৩৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

 

শনিবার (১৬ আগস্ট) মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে দুপুর পৌনে ১টার দিকে দিকে পাঠানো হয়েছে।

 

শাজাহানপুর থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) এস এম রাশিদুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে উত্তর শাজাহানপুর ৩১৮|ডি|৫ নম্বর বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরো জানান, স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জেরে নিজ রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলে থাকে, পরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করি। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এদিকে নিহতে ভাই সাব্বির জানান, আমার ভাই ও আমি চিনি এবং সয়াবিনের তেলের ব্যবসা করি। ২০২৩ সালে আমার ভাইয়ের সঙ্গে মেহজাবিন সিনহার বিয়ে হয়, বিয়ের পরে একটি বাচ্চাও হয় বাচ্চাটি মারা যায় এরপরে থেকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য লেগে থাকে। গত দশদিন পূর্বে আমার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে মেহজাবিন এর ডিভোর্স হয়ে যায়, এই নিয়ে আমার ছোট ভাই মেহজাবিন কে অনেক বুঝায় তারপরও সে ডিভোর্স দিলে, অভিমানে আমার ভাই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি সিলেট জেলার হবিগঞ্জ থানার মোহাম্মদ সোলায়মান মিয়ার সন্তান। বর্তমানে উত্তর শাজাহানপুর ৩১৮/ডি/৫ নম্বর বাসায় পরিবার নিয়ে থাকি। আমরা চার ভাইবোন সে ছোট।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ায় অভিমানে স্বামীর আত্মহত্যা

আপডেট : ১১:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর শাজাহানপুর থানাধীন উত্তর শাজাহানপুরের একটি বাসা থেকে মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন(৩৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

 

শনিবার (১৬ আগস্ট) মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে দুপুর পৌনে ১টার দিকে দিকে পাঠানো হয়েছে।

 

শাজাহানপুর থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) এস এম রাশিদুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে উত্তর শাজাহানপুর ৩১৮|ডি|৫ নম্বর বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরো জানান, স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক কলহের জেরে নিজ রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ঝুলে থাকে, পরে আমাদেরকে খবর দিলে আমরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করি। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এদিকে নিহতে ভাই সাব্বির জানান, আমার ভাই ও আমি চিনি এবং সয়াবিনের তেলের ব্যবসা করি। ২০২৩ সালে আমার ভাইয়ের সঙ্গে মেহজাবিন সিনহার বিয়ে হয়, বিয়ের পরে একটি বাচ্চাও হয় বাচ্চাটি মারা যায় এরপরে থেকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য লেগে থাকে। গত দশদিন পূর্বে আমার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে মেহজাবিন এর ডিভোর্স হয়ে যায়, এই নিয়ে আমার ছোট ভাই মেহজাবিন কে অনেক বুঝায় তারপরও সে ডিভোর্স দিলে, অভিমানে আমার ভাই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি সিলেট জেলার হবিগঞ্জ থানার মোহাম্মদ সোলায়মান মিয়ার সন্তান। বর্তমানে উত্তর শাজাহানপুর ৩১৮/ডি/৫ নম্বর বাসায় পরিবার নিয়ে থাকি। আমরা চার ভাইবোন সে ছোট।