মুগদা আনন্দ নগর এলাকায় এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেডিকেল প্রতিবেদক,, রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে মোঃ জহিরুল ইসলাম(সাজিদ)(২২)নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মোঃ আবু তারেক দিপু জানান,আমরা খবরপেয়ে দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে মুদার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি।পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান,আমরা পরিবারে কাছে থেকে জানতে পারি দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে সবাই আমরা শুয়ে পরি।সাজিদ তার নিজ রুমে চলে যায়, রাতে যে কোন সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমরা দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করি, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান। নিহত জহরুলের গ্রামের বাড়ি, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর মতলব উত্তর থানার আব্দুল জলিলের সন্তান।বর্তমানে আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার জাহানারা বেগমের ৪৬/ই নম্বর বাসার ভাড়াটিয়া। নিহত হায়দার আলীর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী

রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে মোঃ জহিরুল ইসলাম(সাজিদ) (২২) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবু তারেক দিপু জানান, আমরা খবরপেয়ে দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে মুদার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা পরিবারে কাছে থেকে জানতে পারি দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে সবাই আমরা শুয়ে পরি। সাজিদ তার নিজ রুমে চলে যায়, রাতে যে কোন সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমরা দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করি, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান। নিহত জহরুলের গ্রামের বাড়ি, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর মতলব উত্তর থানার আব্দুল জলিলের সন্তান।বর্তমানে আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার জাহানারা বেগমের ৪৬/ই নম্বর বাসার ভাড়াটিয়া। নিহত হায়দার আলীর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

মুগদা আনন্দ নগর এলাকায় এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেডিকেল প্রতিবেদক,, রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে মোঃ জহিরুল ইসলাম(সাজিদ)(২২)নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মোঃ আবু তারেক দিপু জানান,আমরা খবরপেয়ে দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে মুদার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি।পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান,আমরা পরিবারে কাছে থেকে জানতে পারি দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে সবাই আমরা শুয়ে পরি।সাজিদ তার নিজ রুমে চলে যায়, রাতে যে কোন সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমরা দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করি, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান। নিহত জহরুলের গ্রামের বাড়ি, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর মতলব উত্তর থানার আব্দুল জলিলের সন্তান।বর্তমানে আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার জাহানারা বেগমের ৪৬/ই নম্বর বাসার ভাড়াটিয়া। নিহত হায়দার আলীর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী

আপডেট : ০৪:৩৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মুগদা থানার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে মোঃ জহিরুল ইসলাম(সাজিদ) (২২) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবু তারেক দিপু জানান, আমরা খবরপেয়ে দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে মুদার আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার একটি বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা পরিবারে কাছে থেকে জানতে পারি দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে সবাই আমরা শুয়ে পরি। সাজিদ তার নিজ রুমে চলে যায়, রাতে যে কোন সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে আমরা দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করি, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান। নিহত জহরুলের গ্রামের বাড়ি, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর মতলব উত্তর থানার আব্দুল জলিলের সন্তান।বর্তমানে আনন্দনগর ব্রিজ এলাকার জাহানারা বেগমের ৪৬/ই নম্বর বাসার ভাড়াটিয়া। নিহত হায়দার আলীর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী।