মায়ের বকা খেয়ে আত্মহত্যা করলো নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন কালু নগর এলাকা একটি বাসায় লামিয়া আক্তার(১৬) নামের এক কিশোরী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা। নিহত স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

 

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দুইটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা আবুল বাশার জানান, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক আমার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণী শিক্ষার্থী আমার মেয়ের এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল,‘‘ওর মা এই ঘটনাটা জানতে পারলে আমার মেয়েকে বকাঝকা করে আর বলে এখন পড়ার সময় এখন প্রেম করার সময় না। পরে মায়ের উপর অভিমান করে নিজরুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দেয়। পরে আমরা দেখতে পেয়ে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার মেয়েকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানা এলাকায় বর্তমানে, হাজারীবাগের কালিনগর এলাকার ২২/৩ নম্বর বাসায় পরিবার নিয়ে থাকি। আমার দুই ছেলে এক মেয়ে ও ছিল বড়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক)মোঃ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

মায়ের বকা খেয়ে আত্মহত্যা করলো নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী

আপডেট : ১০:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন কালু নগর এলাকা একটি বাসায় লামিয়া আক্তার(১৬) নামের এক কিশোরী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা। নিহত স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

 

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দুইটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা আবুল বাশার জানান, আমি পেশায় একজন রিকশাচালক আমার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণী শিক্ষার্থী আমার মেয়ের এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল,‘‘ওর মা এই ঘটনাটা জানতে পারলে আমার মেয়েকে বকাঝকা করে আর বলে এখন পড়ার সময় এখন প্রেম করার সময় না। পরে মায়ের উপর অভিমান করে নিজরুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দেয়। পরে আমরা দেখতে পেয়ে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার মেয়েকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানা এলাকায় বর্তমানে, হাজারীবাগের কালিনগর এলাকার ২২/৩ নম্বর বাসায় পরিবার নিয়ে থাকি। আমার দুই ছেলে এক মেয়ে ও ছিল বড়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক)মোঃ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।