তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বীন ইসলাম (ইমন) (২১) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তেজগাঁও কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, মধ্যরাতে ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে দরজা ভেঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মনি নামের এক মেয়ের সাথে তার প্রেম ছিল। এই সম্পর্ক পরিবারের জানতে পারলে এই নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে আম্মা জানতে পেরেছি। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আমরা জানতে পেরেছি পাঁচ ছয় মাস জিগাতলারৎবাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকতেন, এই ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহতের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর জেলার আব্দুল হাকিমের ছেলে।বর্তমান হাজারীবাগ ঝিকাতলা নতুন রাস্তা ৪১/২৪ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকতো।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ১০:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বীন ইসলাম (ইমন) (২১) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তেজগাঁও কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, মধ্যরাতে ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে দরজা ভেঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মনি নামের এক মেয়ের সাথে তার প্রেম ছিল। এই সম্পর্ক পরিবারের জানতে পারলে এই নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে আম্মা জানতে পেরেছি। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আমরা জানতে পেরেছি পাঁচ ছয় মাস জিগাতলারৎবাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকতেন, এই ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহতের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর জেলার আব্দুল হাকিমের ছেলে।বর্তমান হাজারীবাগ ঝিকাতলা নতুন রাস্তা ৪১/২৪ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকতো।