ইয়াবা সহ আটক হওয়া আসামি বাহিরে, টাকার কাছে বিক্রি থানার এসআই মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্থানীয় ও নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বারপাইকা স্টিল ব্রিজের ওপর থেকে আস্কর গ্রামের রিন্টু মোল্লার ছেলে মাদক কারবারি শিবলী আহম্মেদসহ তার তিন সহযোগী নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে ইয়াবাসহ আটক করেন এসআই মনির হোসেন। আটকের পর তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

পরদিন রোববার সকালে এসআই মনির হোসেন বাদী হয়ে শিবলী আহম্মেদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, বাকি তিন আটক সদস্য নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে শনিবার রাতেই গোপন দফারফার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই মুক্তি প্রক্রিয়ায় বাগধা ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এবং স্থানীয় এক সাংবাদিক সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। চিহ্নিত মাদক কারবারিদের এভাবে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই মনির হোসেন চারজনকে আটক করার কথা স্বীকার করলেও অর্থের বিনিময়ে ছাড়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “কাউকে টাকার বিনিময়ে ছাড়া হয়নি।”

আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক জানান, “টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার কোনো তথ্য আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

ইয়াবা সহ আটক হওয়া আসামি বাহিরে, টাকার কাছে বিক্রি থানার এসআই মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট : ০৭:২১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্থানীয় ও নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বারপাইকা স্টিল ব্রিজের ওপর থেকে আস্কর গ্রামের রিন্টু মোল্লার ছেলে মাদক কারবারি শিবলী আহম্মেদসহ তার তিন সহযোগী নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে ইয়াবাসহ আটক করেন এসআই মনির হোসেন। আটকের পর তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

পরদিন রোববার সকালে এসআই মনির হোসেন বাদী হয়ে শিবলী আহম্মেদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, বাকি তিন আটক সদস্য নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে শনিবার রাতেই গোপন দফারফার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই মুক্তি প্রক্রিয়ায় বাগধা ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা এবং স্থানীয় এক সাংবাদিক সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। চিহ্নিত মাদক কারবারিদের এভাবে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই মনির হোসেন চারজনকে আটক করার কথা স্বীকার করলেও অর্থের বিনিময়ে ছাড়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “কাউকে টাকার বিনিময়ে ছাড়া হয়নি।”

আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক জানান, “টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার কোনো তথ্য আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”