আইনের চোখে মুলাঝুলিয়ে লাইসেন্স বিহীন ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক

দীর্ঘদিন যাবত লাইসেন্স বিহীন চলছে খুলনার চুকনগরে ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম
দেখার কেউ নেই

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে সরকারি অনুমোদন না নিয়েই একই উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে চলছে ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের ২ টি প্রতিষ্ঠান । সরেজমিনে দুই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় ,নাম সর্বস্ব ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠান দুটি । প্রতিষ্ঠান দুটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তথা পরিবেশ আইন ও মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত। দুই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার বিষয় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সোহরাব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে কাগজপত্র ও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছেি কিন্তু এখনো আমরা কোনো অনুমোদন পাইনি।
প্রতিষ্ঠান ২ টির উদ্বোধনের সময় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য প প কর্মকর্তাকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি ব্যস্ততার কারণে উদ্বোধনে আসতে পারেননি। এছাড়া কিছুদিন পূর্বে খুলনা জেলা সিভিল সার্জন তার প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুরে গেছেন এবং মৌখিকভাবে পরিচালনা করতে বলেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য, পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার পরিদর্শক রাজিব কুমার বাইনের এর সাথে প্রতিষ্ঠান ২ টির পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশেগত ছাড়পত্র নেই। ছাড়পত্রের জন্য তারা আবেদন করেছে, এমনটিও আমার জানা নেই।

সার্বিক বিষয় সিভিল সার্জন খুলনা ডাক্তার মোসাম্মৎ মাহফুজা খাতুন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, লাইসেন্সবিহীন কোন ক্লিনিক ও ডায়াগনোসিস সেন্টার চালানো যাবে না। উক্ত প্রতিষ্ঠান ২ টির ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করে, সরকারি নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন
সোহরাব হোসেন। তার খুঁটির জোর কোথায় -? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলের।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

আইনের চোখে মুলাঝুলিয়ে লাইসেন্স বিহীন ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক

আপডেট : ০৬:২৮:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘদিন যাবত লাইসেন্স বিহীন চলছে খুলনার চুকনগরে ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম
দেখার কেউ নেই

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে সরকারি অনুমোদন না নিয়েই একই উপজেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে চলছে ডক্টর ক্লিনিক ও ডক্টর ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের ২ টি প্রতিষ্ঠান । সরেজমিনে দুই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় ,নাম সর্বস্ব ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠান দুটি । প্রতিষ্ঠান দুটিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তথা পরিবেশ আইন ও মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত। দুই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার বিষয় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সোহরাব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরে কাগজপত্র ও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছেি কিন্তু এখনো আমরা কোনো অনুমোদন পাইনি।
প্রতিষ্ঠান ২ টির উদ্বোধনের সময় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য প প কর্মকর্তাকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি ব্যস্ততার কারণে উদ্বোধনে আসতে পারেননি। এছাড়া কিছুদিন পূর্বে খুলনা জেলা সিভিল সার্জন তার প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুরে গেছেন এবং মৌখিকভাবে পরিচালনা করতে বলেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য, পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার পরিদর্শক রাজিব কুমার বাইনের এর সাথে প্রতিষ্ঠান ২ টির পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশেগত ছাড়পত্র নেই। ছাড়পত্রের জন্য তারা আবেদন করেছে, এমনটিও আমার জানা নেই।

সার্বিক বিষয় সিভিল সার্জন খুলনা ডাক্তার মোসাম্মৎ মাহফুজা খাতুন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, লাইসেন্সবিহীন কোন ক্লিনিক ও ডায়াগনোসিস সেন্টার চালানো যাবে না। উক্ত প্রতিষ্ঠান ২ টির ব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করে, সরকারি নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন
সোহরাব হোসেন। তার খুঁটির জোর কোথায় -? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলের।