প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলে, প্রেমিক আত্মহত্যা

রাজধানীর ডেমরা থানাধীন আমান সিটি মুসলিম নগর এলাকার এবি টাওয়ার ৭তলা একটি রুমে মোঃ রফিকুল ইসলাম (নিলয়)(২১) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা। নিহত পেশায় ব্যবসায়ী।

 

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে দশটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানা উপ-পরিদর্শক(এস আই) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান,আমরা খবর পেয়ে ভোরের দিকে ডেমরার আমান সিটি মুসলিম নগর এবি টাওয়ারে সপ্তম তলার একটি রুম থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাচানো অবস্থান ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পেরেছি গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে তবুও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, নিলয় ব্যবসা করত দীর্ঘদিন মিথিলা নামের এক মেয়ের সঙ্গে ওর সম্পর্ক ছিল ওই মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটি হলে ওই মেয়ের উপরে অভিমান করে তার নিজরুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকলে পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আমার ভাতিজার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের মহেশপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের সন্তান। বর্তমানে ডেমরা আমান সিটি মুসলিম নগর এবি টাওয়ারের সাত তালায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো। আমার ভাতিজারা তিন ভাই এক বোন।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলে, প্রেমিক আত্মহত্যা

আপডেট : ১০:৪২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর ডেমরা থানাধীন আমান সিটি মুসলিম নগর এলাকার এবি টাওয়ার ৭তলা একটি রুমে মোঃ রফিকুল ইসলাম (নিলয়)(২১) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা। নিহত পেশায় ব্যবসায়ী।

 

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে দশটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেমরা থানা উপ-পরিদর্শক(এস আই) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান,আমরা খবর পেয়ে ভোরের দিকে ডেমরার আমান সিটি মুসলিম নগর এবি টাওয়ারে সপ্তম তলার একটি রুম থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাচানো অবস্থান ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পেরেছি গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে তবুও ময়নাতন্ত্রের প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, নিলয় ব্যবসা করত দীর্ঘদিন মিথিলা নামের এক মেয়ের সঙ্গে ওর সম্পর্ক ছিল ওই মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটি হলে ওই মেয়ের উপরে অভিমান করে তার নিজরুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকলে পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আমার ভাতিজার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের মহেশপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের সন্তান। বর্তমানে ডেমরা আমান সিটি মুসলিম নগর এবি টাওয়ারের সাত তালায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো। আমার ভাতিজারা তিন ভাই এক বোন।