খিলগাঁও এক বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

রাজধানীর খিলগাঁও থানার মেরাদিয়া ভূইয়া পাড়া এলাকার একটি বাসায় মুস্তাফিজুর রহমান(২০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মুস্তাফিজুর একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতো।

 

রবিবার (২৪ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহ পাঠিয়েছে পুলিশ।

খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে খিলগাঁও মেরাদিয়া ভূইয়াপাড়া ২১৭ /৩ বাসার নিচ তলার থ্রি রুমের পাশেই একটি রুম থেকে দরজা ভেঙ্গে সিলিংফ্যানে সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি পারিবারিক কলহে জেরে আত্মহত্যা করেছে। তবুও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহতের সহকর্মী শাহিন জানান, মোস্তাফিজ একটি দোকানে কাজ করতো এক সপ্তাহ আগে ওর স্ত্রী ওদের বাড়িতে চলে যায়। পরে ওই বাসায় একাই ছিল মুস্তাফিজ নেশাগ্রস্ত ছিল, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এ বিষয়টি আমরা জানতে পারিনি।

তিনি আরো জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলা বাজিতপুর থানা এলাকা তাহের উদ্দিনের সন্তান। বর্তমানে খিলগাঁও মেরাদিয়া ভূইয়া পাড়া ২১৭/৩ নম্বর বাসার নিচ তলায় থাকতেন।নিহত এক সন্তানের জনক ছিলেন।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

খিলগাঁও এক বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আপডেট : ০৮:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর খিলগাঁও থানার মেরাদিয়া ভূইয়া পাড়া এলাকার একটি বাসায় মুস্তাফিজুর রহমান(২০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মুস্তাফিজুর একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতো।

 

রবিবার (২৪ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মরদেহ পাঠিয়েছে পুলিশ।

খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে খিলগাঁও মেরাদিয়া ভূইয়াপাড়া ২১৭ /৩ বাসার নিচ তলার থ্রি রুমের পাশেই একটি রুম থেকে দরজা ভেঙ্গে সিলিংফ্যানে সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি পারিবারিক কলহে জেরে আত্মহত্যা করেছে। তবুও ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহতের সহকর্মী শাহিন জানান, মোস্তাফিজ একটি দোকানে কাজ করতো এক সপ্তাহ আগে ওর স্ত্রী ওদের বাড়িতে চলে যায়। পরে ওই বাসায় একাই ছিল মুস্তাফিজ নেশাগ্রস্ত ছিল, কি কারনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এ বিষয়টি আমরা জানতে পারিনি।

তিনি আরো জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলা বাজিতপুর থানা এলাকা তাহের উদ্দিনের সন্তান। বর্তমানে খিলগাঁও মেরাদিয়া ভূইয়া পাড়া ২১৭/৩ নম্বর বাসার নিচ তলায় থাকতেন।নিহত এক সন্তানের জনক ছিলেন।