স্বামীর সাথে অভিমান করে স্ত্রীর আত্মহত্যা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট : ০৪:৫৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬৫ পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ- রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার শামীম সরণি এলাকার একটি বাসায় সৈয়দা ফাহমিদা তাহমিন কেয়া(৩০) নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা।

 

বুধবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত ঘোষণা করে।

 

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা বাবা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, আমরা জানতে পারি আমার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওখানে আমার মেয়ের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। তিনি আরও জানান, ওদের স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে কলহের জেরে স্বামীর উপর অভিমান করে তার নিজরুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার খাকচক এলাকায়। বর্তমানে শেরেবাংলা নগর শামীম সরণি অনামিকা কনকড টাওয়ারের ফ্লাট নং ৩/বি স্বামী সিফাত আলীর সঙ্গে থাকতো।

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

স্বামীর সাথে অভিমান করে স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট : ০৪:৫৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার ঃ- রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার শামীম সরণি এলাকার একটি বাসায় সৈয়দা ফাহমিদা তাহমিন কেয়া(৩০) নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়া আত্মহত্যা।

 

বুধবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত ঘোষণা করে।

 

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা বাবা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, আমরা জানতে পারি আমার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওখানে আমার মেয়ের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। তিনি আরও জানান, ওদের স্বামী স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে কলহের জেরে স্বামীর উপর অভিমান করে তার নিজরুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়।

 

তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার খাকচক এলাকায়। বর্তমানে শেরেবাংলা নগর শামীম সরণি অনামিকা কনকড টাওয়ারের ফ্লাট নং ৩/বি স্বামী সিফাত আলীর সঙ্গে থাকতো।

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।