ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটের সেবিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানী চকবাজার থানার হুসাইনী দালান এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নাহিদা আক্তার ববি (২৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের নার্স ছিলেন ।

শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ কাউসার জানান, আমরা খবর পেয়ে দিবাগত রাতে ৯৯৯খবর পেয়ে চকবাজারে মিয়া গলি হোসাইনী দালান রোডের ষষ্ঠতলা বাসার একটি রুম থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদহ ময়নাতনদের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবুও ময়নাতন তোর প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহত ববির ফুফাতো ভাই ফরহাদ রহমান জানান, নাহিদা ও ইলিয়াসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। ইলিয়াস নাহিদাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো বলে আমরা জানতে পেরেছি ।গত বছরের জানুয়ারিতে এ ঘটনায় নাহিদা তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কিছুদিন কারাগারেও ছিলেন ইলিয়াস। পরে কারাগার থেকে বের হয়ে দুজনের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়। মৃত্যুর আগে নাহিদা একটি চিরকুট লিখে গেছেন। সেখানে তিনি স্বামী শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন। নিহতের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের রেলওয়ে কলোনি এলাকার আখতার হোসেনের মেয়ে বর্তমানে চকবাজারের মিয়া গুলি হোসাইনী দালান রোড ১৮/১১ নম্বর বাসায় থাকতেন।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটের সেবিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০২:২০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

রাজধানী চকবাজার থানার হুসাইনী দালান এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নাহিদা আক্তার ববি (২৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের নার্স ছিলেন ।

শুক্রবার (০৬ মার্চ) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ কাউসার জানান, আমরা খবর পেয়ে দিবাগত রাতে ৯৯৯খবর পেয়ে চকবাজারে মিয়া গলি হোসাইনী দালান রোডের ষষ্ঠতলা বাসার একটি রুম থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদহ ময়নাতনদের জন্য ঢামেকের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমরা স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবুও ময়নাতন তোর প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহত ববির ফুফাতো ভাই ফরহাদ রহমান জানান, নাহিদা ও ইলিয়াসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। ইলিয়াস নাহিদাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো বলে আমরা জানতে পেরেছি ।গত বছরের জানুয়ারিতে এ ঘটনায় নাহিদা তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কিছুদিন কারাগারেও ছিলেন ইলিয়াস। পরে কারাগার থেকে বের হয়ে দুজনের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়। মৃত্যুর আগে নাহিদা একটি চিরকুট লিখে গেছেন। সেখানে তিনি স্বামী শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন। নিহতের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের রেলওয়ে কলোনি এলাকার আখতার হোসেনের মেয়ে বর্তমানে চকবাজারের মিয়া গুলি হোসাইনী দালান রোড ১৮/১১ নম্বর বাসায় থাকতেন।