সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সন্ধ্যা ৮ টায় অভিযান চলাকালীন শাহবাগ থানার পুলিশ সদস্যদের হাতে লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হন বাংলা নিউজের রিপোর্টার তোফায়েল এবং আজকের পত্রিকার রিপোর্টার রিপন।

লাইভ বিডিও সূত্রে জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। এসময় সাংবাদিক তোফায়েল সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। তোফায়েল ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ (সরাসরি সম্প্রচার) করছিলেন।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের কার্যক্রমের ভিডিও করায় শাহবাগ থানার পুলিশ যিনি অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন খোকন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর চড়াও হন। সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের পেশাগত পরিচয় দিলেও পুলিশ তা তোয়াক্কা করেনি। বরং পরিচয় পাওয়ার পর পুলিশের মারমুখী আচরণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর এমন অতর্কিত হামলায় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত সাংবাদিকরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
এই বিষয়ে শাহবাগ থানার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের হামলা

আপডেট : ০৪:২১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সন্ধ্যা ৮ টায় অভিযান চলাকালীন শাহবাগ থানার পুলিশ সদস্যদের হাতে লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হন বাংলা নিউজের রিপোর্টার তোফায়েল এবং আজকের পত্রিকার রিপোর্টার রিপন।

লাইভ বিডিও সূত্রে জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। এসময় সাংবাদিক তোফায়েল সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। তোফায়েল ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ (সরাসরি সম্প্রচার) করছিলেন।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশের কার্যক্রমের ভিডিও করায় শাহবাগ থানার পুলিশ যিনি অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন খোকন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর চড়াও হন। সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের পেশাগত পরিচয় দিলেও পুলিশ তা তোয়াক্কা করেনি। বরং পরিচয় পাওয়ার পর পুলিশের মারমুখী আচরণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর এমন অতর্কিত হামলায় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত সাংবাদিকরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
এই বিষয়ে শাহবাগ থানার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।