বিয়ের আড়ালে প্রতারণার শিকার ফারজানা আক্তার লিজা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট : ০৫:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪০ পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুরে প্রতারক চক্রের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে ফারজানা আক্তার লিজা(৩৩) নামের এক নারী। চলতি বছরে গত ১৫ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল ১০ টার দিকে পল্লবী থানাধীন মিরপুর ১০, এভিনিউ ৫ , ব্লক-সি,বাসা নং ১/১০ বাসার নিচে প্রতারক চক্রের চার সদস্য মিলে মারধর করে ভুক্তভোগী ওই নারীকে।

 

এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগকারী নারী আমাদের প্রতিনিধিকে জানায় চলতি বছরে গত ১৭ জানুয়ারী মাসে মোহাম্মদ সুমন আহমেদ বাবার নাম-মৃত সোনাই মিয়া, মাতা-রাবিয়া বেগম, স্থায়ী ঠিকানা-বাসা নং-৪৬, গ্রাম-চাষনিপাড়া রোড-কলবাখানি, ডাকঘর-সিলেট সদর তাহার সহিত আমার ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিবাহ হয়েছিল।

বিবাহের কয়েক মাস পরে জানতে পারি সুমনের প্রথম স্ত্রী এবং সন্তান থাকা শর্তেও তিনি আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহ করেন‌। আমাকে তাহার মা-বোনের সম্পর্কের এক মায়া জলে আবদ্ধ করেন। আমি এবং সুমন যেহেতু একই অফিসে চাকরিরত ছিলাম তাই সেই সুবাদে ভালোলাগা থেকেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিবাহর কয়েক মাস পরে সুমনের দ্বিতীয় বিয়ের কথা তার প্রথম স্ত্রী জানতে পেরে ঢাকায় আসে এবং টাকা দিয়ে বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া করে, আমি মিরপুর ১০ জল্লাদ খাঁনা সংলগ্ন আরোগ্য লিমিটেড অফিসে কয়েকবার অফিস কম্পাউন্ডে বসিয়ে আমাকে পারভেজ, নাজমুল, সিদ্দিক, সাগর, আরো বহিরাগত অজ্ঞতা দু’একজন মিলে বেশ কয়েকদিন যাবত হুমকি ধামকি দিতেছিল যেন তালাক দিয়ে দেই, এমনকি অফিস থেকে বের হলেই উক্ত সন্ত্রাসীরা আমাকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখায় এবং উত্ত্যক্ত করে যেন আমি সুমনকে তালাক দেই এবং স্বইচ্ছা য় ওই অফিস থেকে চাকরি ছেড়ে চলে যাই।বিষয়টি আমি সুমনকে অবগত করলে সুমন আমাকে জানায় অফিসে তার প্রমোশন হবে এই বিষয়ে জানাজানি হলে তার ক্ষতি হবে। আমি বাধ্য হয়ে চাকরি ছেড়ে দেই। গত ৩০ জুন মাসে আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে যেই কাজী অফিসে আমাদের বিবাহ হয় সেই অফিসের সামনে নিয়ে যায়।কাজী অফিসের সামনে যেয়ে দেখতে পাই আমাদের যাওয়ার আগে এবং পরে অনেক ছেলেরা হাজির হয় এবং জোরপূর্বক আমার হাতে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলে এখানে স্বাক্ষর করো। আমি বিষয়টি জানতে চাইলে আমাকে বলা হয় তেমন কিছু না শুধুমাত্র আমার প্রথম স্ত্রী কে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। সেখানে থাকা বহিরাগত লোকের কথাগুলো ঝামেলা মনে হলে আমি দ্রুত স্বাক্ষর করে দেই। এরপর বিভিন্ন সময় সে স্বামী পরিচয় আমার বাসায় আসে এবং আমাকে বিরক্ত করে। এবং আমাকে এও হুমকি দেয় আমি যদি অন্য কোথাও সংসার করার চিন্তা ভাবনা করি তাহলে সে আমাকে শান্তিতে থাকতে দিবে না। বিষয়টি সমাধানের কথা বললে সে সব সময় এড়িয়ে যায়। গত ১ অক্টোবর মাসে তার মা-বোনে, ছোট ভাইয়ের বৌকে সাথে রেখে পুনরায় বিবাহের আশ্বাসে মৌলভীবাজারে পাঠায় বিয়ে না করে ফেরত আসে।

এবং বর্তমানে আমি যে বাসায় আছি সেই বাসায় এসেও জোরজবস্তি পূর্ব আনাগোনা করলে বাড়িওয়ালার বিষয়টি সন্দেহ হয় এবং তাকে আসতে বারণ করলে বাড়িওয়ালাকে সে জানায় আমি এখনো তার বৈধ স্ত্রী যার ডকুমেন্ট তার কাছে রয়েছে এবং বাড়িওয়ালাকে সে পানিশমেন্ট দেবার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন আমি সুমনের বাসার নিচে যাই তার সাথে কথা বলার জন্য এবং তাকে উক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি করিয়ে দেই আমাকে যেন উত্যক্ত না করে, বিষয়টি আমার মা ভাই বোন জানতে পারলে ঝামেলা হবে। তার সাথে কথা বলা কালীন হঠাৎ করেই উপর থেকে নিচে নেমে আসে সুমনের প্রথম স্ত্রী, বন্ধু নাজমুল ও তার স্ত্রী আমাকে নোংরা বাসায় গালমন্দ শুরু করে। আমি প্রতিবাদ করলে সবাই মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর, রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় ওখান থেকে রেহাই পাই এবং ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরে আসি।

পরবর্তীতে আমার পরিবারের কথা অনুযায়ী আমি পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। এ বিষয়ে আমাদের গণমাধ্যম কর্মী সুমনের কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে সুমন জানায় এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। পরবর্তীতে জোরপূর্বক তালাকের ঘটনাটি জানতে চাইলে সুমন জানায় দুইজন বউ নিয়া তার সংসারে ব্যাপক ঝামেলা হচ্ছিল তাই সে তালাক দিয়ে দেয়। এই তালাকের বিষয়ে কাজী মো. সলিমুল্লাহ এবং সাক্ষীদ্বয়ের নিকট আমাদের প্রতিনিধি মুঠো ফোনের কথায় জানা যায়, তালাকের সময় মেয়ে পক্ষের কোন সাক্ষী উপস্থিত ছিল না। ছেলেপক্ষের সাক্ষী সুমনের আপন ছোট ভাই জানায়, আমি ভাইয়ের কথায় সেখানে উপস্থিত হই এবং একটি কাগজে স্বাক্ষর করায়, এরপর আমি বাসায় চলে আসি। পরবর্তীতে সেখানে কি হয়েছিল তাহা আমি কিছুই জানি না। ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগকৃত উল্লেখিত থানার অভিযোগ নামায় সুমনের তালাক পরবর্তী সকল ঘটনাগুলো এবং ৫ অক্টোবর উড়োজাহাজে ঘোরাফেরার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে মানবাধিকার পরিচালক ও জনস্বার্থে দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ প্রকাশকারীর পরিচালক মো. গোলাম রাব্বানী আমাদের জানায়, অভিযোগের বিষয়টি আমি জানি আমার নির্দেশই ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগটি দায়ের করে আমি অবশ্যই আইনের সহযোগিতা চাই, আমরা অভিযোগটি সততা যাচাই করেছি, আমাদের কাছে অভিযোগটির সত্যতার প্রমাণও রয়েছে , সংশ্লিষ্ট থানা চাইলে আমাদের কাছ থেকে ডকুমেন্টারি সহযোগিতা নিতে পারে। তাই অভিযোগকারীর আবেদনটি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

বিয়ের আড়ালে প্রতারণার শিকার ফারজানা আক্তার লিজা

আপডেট : ০৫:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মিরপুরে প্রতারক চক্রের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে ফারজানা আক্তার লিজা(৩৩) নামের এক নারী। চলতি বছরে গত ১৫ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল ১০ টার দিকে পল্লবী থানাধীন মিরপুর ১০, এভিনিউ ৫ , ব্লক-সি,বাসা নং ১/১০ বাসার নিচে প্রতারক চক্রের চার সদস্য মিলে মারধর করে ভুক্তভোগী ওই নারীকে।

 

এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগকারী নারী আমাদের প্রতিনিধিকে জানায় চলতি বছরে গত ১৭ জানুয়ারী মাসে মোহাম্মদ সুমন আহমেদ বাবার নাম-মৃত সোনাই মিয়া, মাতা-রাবিয়া বেগম, স্থায়ী ঠিকানা-বাসা নং-৪৬, গ্রাম-চাষনিপাড়া রোড-কলবাখানি, ডাকঘর-সিলেট সদর তাহার সহিত আমার ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বিবাহ হয়েছিল।

বিবাহের কয়েক মাস পরে জানতে পারি সুমনের প্রথম স্ত্রী এবং সন্তান থাকা শর্তেও তিনি আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহ করেন‌। আমাকে তাহার মা-বোনের সম্পর্কের এক মায়া জলে আবদ্ধ করেন। আমি এবং সুমন যেহেতু একই অফিসে চাকরিরত ছিলাম তাই সেই সুবাদে ভালোলাগা থেকেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিবাহর কয়েক মাস পরে সুমনের দ্বিতীয় বিয়ের কথা তার প্রথম স্ত্রী জানতে পেরে ঢাকায় আসে এবং টাকা দিয়ে বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া করে, আমি মিরপুর ১০ জল্লাদ খাঁনা সংলগ্ন আরোগ্য লিমিটেড অফিসে কয়েকবার অফিস কম্পাউন্ডে বসিয়ে আমাকে পারভেজ, নাজমুল, সিদ্দিক, সাগর, আরো বহিরাগত অজ্ঞতা দু’একজন মিলে বেশ কয়েকদিন যাবত হুমকি ধামকি দিতেছিল যেন তালাক দিয়ে দেই, এমনকি অফিস থেকে বের হলেই উক্ত সন্ত্রাসীরা আমাকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখায় এবং উত্ত্যক্ত করে যেন আমি সুমনকে তালাক দেই এবং স্বইচ্ছা য় ওই অফিস থেকে চাকরি ছেড়ে চলে যাই।বিষয়টি আমি সুমনকে অবগত করলে সুমন আমাকে জানায় অফিসে তার প্রমোশন হবে এই বিষয়ে জানাজানি হলে তার ক্ষতি হবে। আমি বাধ্য হয়ে চাকরি ছেড়ে দেই। গত ৩০ জুন মাসে আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে যেই কাজী অফিসে আমাদের বিবাহ হয় সেই অফিসের সামনে নিয়ে যায়।কাজী অফিসের সামনে যেয়ে দেখতে পাই আমাদের যাওয়ার আগে এবং পরে অনেক ছেলেরা হাজির হয় এবং জোরপূর্বক আমার হাতে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলে এখানে স্বাক্ষর করো। আমি বিষয়টি জানতে চাইলে আমাকে বলা হয় তেমন কিছু না শুধুমাত্র আমার প্রথম স্ত্রী কে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। সেখানে থাকা বহিরাগত লোকের কথাগুলো ঝামেলা মনে হলে আমি দ্রুত স্বাক্ষর করে দেই। এরপর বিভিন্ন সময় সে স্বামী পরিচয় আমার বাসায় আসে এবং আমাকে বিরক্ত করে। এবং আমাকে এও হুমকি দেয় আমি যদি অন্য কোথাও সংসার করার চিন্তা ভাবনা করি তাহলে সে আমাকে শান্তিতে থাকতে দিবে না। বিষয়টি সমাধানের কথা বললে সে সব সময় এড়িয়ে যায়। গত ১ অক্টোবর মাসে তার মা-বোনে, ছোট ভাইয়ের বৌকে সাথে রেখে পুনরায় বিবাহের আশ্বাসে মৌলভীবাজারে পাঠায় বিয়ে না করে ফেরত আসে।

এবং বর্তমানে আমি যে বাসায় আছি সেই বাসায় এসেও জোরজবস্তি পূর্ব আনাগোনা করলে বাড়িওয়ালার বিষয়টি সন্দেহ হয় এবং তাকে আসতে বারণ করলে বাড়িওয়ালাকে সে জানায় আমি এখনো তার বৈধ স্ত্রী যার ডকুমেন্ট তার কাছে রয়েছে এবং বাড়িওয়ালাকে সে পানিশমেন্ট দেবার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন আমি সুমনের বাসার নিচে যাই তার সাথে কথা বলার জন্য এবং তাকে উক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি করিয়ে দেই আমাকে যেন উত্যক্ত না করে, বিষয়টি আমার মা ভাই বোন জানতে পারলে ঝামেলা হবে। তার সাথে কথা বলা কালীন হঠাৎ করেই উপর থেকে নিচে নেমে আসে সুমনের প্রথম স্ত্রী, বন্ধু নাজমুল ও তার স্ত্রী আমাকে নোংরা বাসায় গালমন্দ শুরু করে। আমি প্রতিবাদ করলে সবাই মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর, রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় ওখান থেকে রেহাই পাই এবং ঢাকা মেডিকেল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরে আসি।

পরবর্তীতে আমার পরিবারের কথা অনুযায়ী আমি পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। এ বিষয়ে আমাদের গণমাধ্যম কর্মী সুমনের কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে সুমন জানায় এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। পরবর্তীতে জোরপূর্বক তালাকের ঘটনাটি জানতে চাইলে সুমন জানায় দুইজন বউ নিয়া তার সংসারে ব্যাপক ঝামেলা হচ্ছিল তাই সে তালাক দিয়ে দেয়। এই তালাকের বিষয়ে কাজী মো. সলিমুল্লাহ এবং সাক্ষীদ্বয়ের নিকট আমাদের প্রতিনিধি মুঠো ফোনের কথায় জানা যায়, তালাকের সময় মেয়ে পক্ষের কোন সাক্ষী উপস্থিত ছিল না। ছেলেপক্ষের সাক্ষী সুমনের আপন ছোট ভাই জানায়, আমি ভাইয়ের কথায় সেখানে উপস্থিত হই এবং একটি কাগজে স্বাক্ষর করায়, এরপর আমি বাসায় চলে আসি। পরবর্তীতে সেখানে কি হয়েছিল তাহা আমি কিছুই জানি না। ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগকৃত উল্লেখিত থানার অভিযোগ নামায় সুমনের তালাক পরবর্তী সকল ঘটনাগুলো এবং ৫ অক্টোবর উড়োজাহাজে ঘোরাফেরার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে মানবাধিকার পরিচালক ও জনস্বার্থে দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ প্রকাশকারীর পরিচালক মো. গোলাম রাব্বানী আমাদের জানায়, অভিযোগের বিষয়টি আমি জানি আমার নির্দেশই ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগটি দায়ের করে আমি অবশ্যই আইনের সহযোগিতা চাই, আমরা অভিযোগটি সততা যাচাই করেছি, আমাদের কাছে অভিযোগটির সত্যতার প্রমাণও রয়েছে , সংশ্লিষ্ট থানা চাইলে আমাদের কাছ থেকে ডকুমেন্টারি সহযোগিতা নিতে পারে। তাই অভিযোগকারীর আবেদনটি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়।