খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ার এখন শত কোটি টাকার মালিক

ঢাকা ৭ আসন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হাজী সেলিমের ডান হাত খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ার এখন শত কোটি টাকার মালিক।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকালীন সময় হাজী সেলিমকে ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও খেজুর ব্যবসার সিন্ডিকেট তৈরি করে কত কোটি টাকার মালিক হয়েছে আনোয়ার। হাজী সেলিমের সব অবৈধ ব্যবসা দেখাশোনা সহ সবকিছুতেই হাত ছিল বাদামতলির খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ারের। অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে ঢাকার বাদামতলীতে মক্কা মদিনা ট্রেডিং এবং আল ওলিদ ট্রেনিং নামে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

এছাড়া পুরান ঢাকার গোল্ড স্টার বিল্ডার্স কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে আনোয়ারের স্ত্রী ও সন্তানের নামে দুটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ কিনেছেন তিনি। তার নামে বে নামে রয়েছে বহু ফ্লাট। বাদামতলী গিয়ে জানা যায় আগে তিনি ছিলেন মুদী দোকানদার। হাজী সেলিম এর ছত্রছায়ায় তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীরা পলাতক থাকলেও তিনি বহাল আছেন নিজ এলাকায়। আনোয়ার এখনো বড় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রয়েছে বসবাস করছেন। তাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর অনেক সচেতন মানুষ। আওয়ামী লীগের দোসর জানার পর ডেভলপার কোম্পানি ফ্ল্যাট এর টাকা ফেরত বা ফ্যাল্ট দিতে না চাইলে আনোয়ার তার লোকজন নিয়ে ডেভেলপার কোম্পানি কে চাপ সৃষ্টি চেষ্টা করছে।

জনপ্রিয়

যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সাহসী পদক্ষেপ, আটক ৭

খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ার এখন শত কোটি টাকার মালিক

আপডেট : ০৬:১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকা ৭ আসন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হাজী সেলিমের ডান হাত খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ার এখন শত কোটি টাকার মালিক।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকালীন সময় হাজী সেলিমকে ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও খেজুর ব্যবসার সিন্ডিকেট তৈরি করে কত কোটি টাকার মালিক হয়েছে আনোয়ার। হাজী সেলিমের সব অবৈধ ব্যবসা দেখাশোনা সহ সবকিছুতেই হাত ছিল বাদামতলির খেজুর ব্যবসায়ী আনোয়ারের। অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে ঢাকার বাদামতলীতে মক্কা মদিনা ট্রেডিং এবং আল ওলিদ ট্রেনিং নামে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

এছাড়া পুরান ঢাকার গোল্ড স্টার বিল্ডার্স কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে আনোয়ারের স্ত্রী ও সন্তানের নামে দুটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ কিনেছেন তিনি। তার নামে বে নামে রয়েছে বহু ফ্লাট। বাদামতলী গিয়ে জানা যায় আগে তিনি ছিলেন মুদী দোকানদার। হাজী সেলিম এর ছত্রছায়ায় তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীরা পলাতক থাকলেও তিনি বহাল আছেন নিজ এলাকায়। আনোয়ার এখনো বড় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে রয়েছে বসবাস করছেন। তাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর অনেক সচেতন মানুষ। আওয়ামী লীগের দোসর জানার পর ডেভলপার কোম্পানি ফ্ল্যাট এর টাকা ফেরত বা ফ্যাল্ট দিতে না চাইলে আনোয়ার তার লোকজন নিয়ে ডেভেলপার কোম্পানি কে চাপ সৃষ্টি চেষ্টা করছে।