ঘটনার বিবরণে প্রকাশ প্রায় এক বৎসর পূর্বে পারিবারিকভাবে সুইটি আক্তার (২৫) পিতা মোঃ ইলিয়াস মিয়া সাং বাহেরচর থানা মিঠামইন জেলা কিশোরগঞ্জ জনৈক সুজন মিয়া (৩৬) পিতা মোহাম্মদ আলী ভূইয়া, সাং ইটাখোলা থানা মাধবপুর, জেলা হবিগঞ্জ এর সাথে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয়।
বিয়ের পর হতে ১১৯ পশ্চিম শেওড়াপাড়া বসবাস করতে থাকে। ভিকটিম যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং এবং টিউশনির সাথে জড়িত ছিল মাস শেষে ভালো একটি এমাউন্ট আয় করতো আসামি সমূদয় টাকা জোরপূর্বক নিয়ে নিতো এবং আরও অধিক টাকার জন্যে আসামি ভিকটিম সুইটি কে প্রায় সময়ই অমানবিক ভাবে মারপিট করতো। এক পর্যায়ে সুইটি জানতে পারে তার কষ্টের অর্জিত টাকা নিয়ে অপর একটি বিবাহিত মহিলার পেছনে খরচ করেন ( ভিডিও ও অডিও প্রমানাদি আছে)।
গত ৮-৪-২০২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাত ১১ ঘটিকা থেকে ভিকটিম সুইটি আক্তার এর উপর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় এবং মারপিট করে ওকে মেরে ফেলা হয় তারপর সে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্যে চেষ্টা করে। ০৯/০৪/২৬ তারিখ ভোর ৫.১০ মিনিটে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে লাশঘরে তার সাবলেট সঙ্গী নাম অজ্ঞাত সহ এসে ভিকটিমের লাশ ফেলে রেখে চলে যায়। ভিকটিমের বড় ভাই আরিফ কে ফোনে জানায় যে ভিকটিম আত্মহত্যা করেছে। ভিক্টিমের বড় ভাই ঢাকাস্থ আত্মীয়স্বজন দের এই ঘটনা জানানোর পর তারা দ্রুত সময় এর মধ্যে হাসপাতালে পৌছায় এবং লাশঘরে লাশ দেখতে পায় এবং শের-ই-বাংলা নগর থানা এবং মিরপুর মডেল থানায় ঘটনাটি জানিয়ে তাদের সাহায্য প্রার্থনা করলে শের-ই-বাংলা নগর থানার টহল পার্টি তৎক্ষনাৎ হাসপাতালে পৌছালেও মিরপুর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসতে গড়িমসি করে এবং তেমন কোনো সাহায্য করেনি। আনুমানিক ১.৩০ মিনিটে এস আই কাঞ্চন নাহার হাসপাতালে এসে ভিক্টিমের উপস্থিত আত্মীয়স্বজন এবং ভিক্টিমের বন্ধুবান্ধব Lions club এর সদস্য দের সাথে চিল্লা চেচামেচি শুরু করে এবং এতো মর্মান্তিক একটি ঘটনাকে সুরতহাল করার সময়ে খুবই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ভিক্টিম কে গালিগালাজ করে এবং খুবই অল্প সময়ে মৃতদেহের কোনো কিছু ভালোভাবে না দেখে সুরতহাল করে থানায় চলে যায়। সুরতহাল রিপোর্ট সে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরী করে হাসপাতালে পাঠায় যাতে ময়নাতদন্তে বিলম্ব হয়। তার এই ইচ্ছাকৃত এবং আসামিপক্ষের বায়েসড হয়ে একটি পিউর মার্ডারের ঘটনাকে আত্মহত্যা প্ররোচনায় মামলায় রেকর্ড করায় এবং মামলার বাদী ভিক্টিমের বড় ভাই কে জোরপূর্বক মামলার এজহারে স্বাক্ষর নেয়।
যেহেতু এসআই কাঞ্চন নাহার আসামি পক্ষের হয়ে কাজ করেছে সেহেতু একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড কে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করায় আমি নুসরাত ভিক্টিমের (ছোট ফুপু) পিতা মৃত মোঃ খোরশেদ আলম স্বামী মোঃ সাইদুর রহমান আসামি সুজনের সহয়তাকারি কাঞ্চন নাহার বিপি ৯০১৭২০৭৬৯৯ এসআই মিরপুর মডেল থানা ও সুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ঠিকানা
বাড়ি-১০/কে, ৬ষ্ঠ তলা, নয়াপল্টন হাউসিং, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০
মোবাইল নম্বর: ০১৪০৪৬৫০৪১
ইমেইল: admin@pratidineralo.com
সম্পাদক ও প্রকাশক
নাম: এস.এ. শাওন (এল.এল.বি)
সহ-সম্পাদক:
নাম: রাব্বি চৌধুরী
Copyright © 2026 প্রতিদিনের আলো. All rights reserved.