ঢাকা মেডিকেলে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ছয় নবজাতকের মধ্যে একে একে চারজনেরই মৃত্যু হয়েছে। এখনো দুইজন জীবিত রয়েছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেতের হোম কেয়ার নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের (এনআইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা মারা যায়। সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (NICU) তে থাকা আরও দুইজন ছেলে নবজাতক মারা যায়। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢামেকের (এনআইসিইউ)তে চিকিৎসাধীন এক নবজাতক ছেলে মারা যায়।
নবজাতকদের মা মোকসেদা আক্তার প্রিয়া তার ননদ ফারজানা আক্তার জানান, গত রাতে বেসরকারি হাসপাতালে থাকা এক মেয়ে বাচ্চা মারা গেছে। সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢামেক থাকা দুই ছেলে নবজাতক মারা গেছে। আগে রোববার সন্ধ্যায় ঢামেক (এনআইসিইউ)তে থাকা ছেলে নবজাতকটি মারা যায়। এই নিয়ে চার নবজাতকের মৃত্যু হল তাদের মধ্যে তিনজনই ছেলে ও একজন মেয়ে। এখন বেসরকারি হাসপাতালে দুই মেয়ে জীবিত রয়েছে তারা (এনআইসিইউ) তে রয়েছে।
তিনি আরো জানান, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে নোয়াখালীর সেনবাগের বাসিন্দা মোকসেদা আক্তার প্রিয়া(২৩) ঢাকা মেডিকেলের গাইনি বিভাগে লেবার ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দেন। জন্মের পরপরই তিন নবজাতককে ঢামেকের (এনআইসিইউ)তে এবং বাকি তিনজনকে হোম কেয়ার নামের বেসরকারি হাসপাতালে (এনআইসিইউ)তে ভর্তি করা হয়।
ঢামেক গাইনি বিভাগের ইউনিট-১ এর সহযোগী অধ্যাপক ডা.আবিদা সুলতানা বলেন, শনিবার রাতে প্রিয়া হাসপাতালে ভর্তি হন এবং পরদিন সকালে ছয় সন্তানের জন্ম দেন।চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি পূর্ণাঙ্গ প্রসব নয়, বরং ২৭ সপ্তাহে ইনএবিটেবল অ্যাবরশন।
তিনি জানান, নবজাতকদের মধ্যে তিনজনে ওজন প্রায় ৯০০ গ্রাম এবং বাকি তিনজনের ৮০০ গ্রাম ছিল। দেশে সাধারণভাবে ২৮ সপ্তাহকে ‘ভায়াবল এইজ’ ধরা হয়। প্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রসব হয়ে গেছে তার আগেই। উন্নত চিকিৎসায় ভাগ্যে থাকলে কিছু শিশু বেঁচে যেতে পারে।
ঠিকানা
বাড়ি-১০/কে, ৬ষ্ঠ তলা, নয়াপল্টন হাউসিং, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০
মোবাইল নম্বর: ০১৪০৪৬৫০৪১
ইমেইল: admin@pratidineralo.com
সম্পাদক ও প্রকাশক
নাম: এস.এ. শাওন (এল.এল.বি)
সহ-সম্পাদক:
নাম: রাব্বি চৌধুরী
Copyright © 2026 প্রতিদিনের আলো. All rights reserved.